• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]

নওগাঁয় ঘরে ঘরে চলছে নবান্নের উৎসব

বিডি নিউজ বুক ডেস্ক: / ৮৩ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
All-focus

:: নওগাঁ প্রতিনিধি ::

নবান্ন বাঙ্গালী জাতির এক অবিচ্ছেদ্দ অংশ। বাংলাদেশের আবহমান কৃষ্টি-কালচারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই নবান্ন। নবান্ন হচ্ছে মূলত নতুন ধান ঘরে তোলার অনুষ্ঠান।

নওগাঁর ধামইরহাটের চিরি নদীর দুটি পাড়ের কৃষকদের মাঝে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহি নবান্নের উৎসব।

প্রতি বছরের ন্যায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই দিনটিকে ওই এলাকার কৃষকরা পালন করে। তবে এবার ধানের দাম বেশী পাওয়ায় তাদের মাঝে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রতিটি গ্রামে ফিরে এসেছে নবান্নের উৎসবের আমেজ। ১অগ্রহায়নে গ্রাম বাংলার কৃষকরা সাধারণত তাদের নতুন ফসল ঘরে তোলে। বর্তমানে মানে মাঠে মাঠে কৃষক সোনালী স্বপ্ন দুলছে।

আর এ সোনালী স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে কৃষক-কৃষাণীরা কোমর বেঁেধ কাজ করছে। বর্তমান এ এলাকায় ¯^র্ণা-৫ জাতের ধান বেশি রোপন করা হয়েছে। ধান কাটামাড়াই পুরোদমে শুরু হয়েছে।

বাজারে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধান এক হাজার ১শত টাকা দরে কেনা বেচা চলছে। কৃষকরা এবার ধানের দাম বেশি পেয়ে বেশ খুশি। তাদের মাঝে বাড়তি উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের অর্ন্ত:গত ভারত সীমান্তবর্তী উত্তর রুপনারায়লপুর চিরি নদীর দুই পাড়ের কৃষকরা নবান্ন উৎসব পালনের জন্য ব্যাপর প্রস্তুতি নেয়। তারা নতুন ধানের আটা দিয়ে বিভিন্ন ধরণেয় পিঠা, পুলি এবং ক্ষীর তৈরি করে। দিবস উপলক্ষে এলাকার মেয়ে-জামাইদের শ্বশুড় বাড়ীতে আগমন ঘটে।

প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে গরু ও মহিষের মাংস এবং নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে পায়েস ও ক্ষীর। এসব দিয়ে মেহমানদের অ্যাপায়ন করা হয়। নবান্ন উপলক্ষে চিরি নদীর ব্রীজের পশ্চিম পার্শে উত্তর রুপনারায়ণপুর গ্রামের দুইটি মহিষ জবাহ করা হয়।

ওই গ্রামের মাতব্বর আইয়ুব হোসেন, আলহাজ্ব নবিবর রহমান জানান, তারা দুটি মহিষ জবাহ করে গ্রামবাসীদের মাঝে মাংস বিতরণ করেছেন। দুটি মহিষ থেকে প্রায় ৪শত ১০কেজি মাংস পাওয়া গেছে। এক হাজার টাকার বিনিময়ে ২শত জনের মাঝে এ মাংস বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেলিম রেজা বলেন, এবার ধামইরহাট উপজেলায় ১৯হাজার ৭শত ৯০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এবার ফলন কিছুটা কম হলেও দাম বেশি পেয়ে কৃষককূল খুশি। ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) এবং ৭শত ৯০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের ধান রোপন করছেন। ব্রিধান-৩৪,৪৯,৭৫,৮৭,বিনা-১৭,¯^র্ণা-৫, ত্বরা ¯^র্ণা,চিনি আতব,জিরাশাইল ও কাটারীভোগ জাতের ধান চাষ করছেন।

বর্তমানে ধান কাটামাড়াই পুরোদমে শুরু হয়েছে। বাজারে কাঁচা ধান এক হাজার একশত টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে এলাকার কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।


এই ধরনের আরও সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
2627282930  
       
     12
10111213141516
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
       
  12345
27282930   
       
29      
       
1234567
2930     
       

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!