• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]

এক জমিতে সাথী সফল চাষ করে সফলতা পেয়েছে শাকিল

টাঙ্গাইল, প্রতিনিধি / ২৪ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ৩ মে, ২০২১
শাকিল আহমেদ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের গোমজানি গ্রামের শাকিল আহমেদ এক জমিতে সাথী ফসল হিসাবে শশা, তরমুজ ও বাঙ্গী চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা তিনটি ফলেরই ভলো ফলন হয়েছে।

জানা য়ায়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে বিএসসি পাশ করা শাকিল আহমেদ। তিনি কৃষিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। নিজের পিতার জমিতে প্রথম বারের মত শশা, বিদেশী ব্লাক বেরী জাতের তরমুজ ও বাঙ্গীর চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সারা ফেলেছেন। অপরদিকে তরমুজ চাষ এ অঞ্চলে এবারই প্রথম। নিজে কৃষিবিদ হওয়ায় অন্য কারো পিছনে ঘুরতে হয়নি তাকে। একসাথে এক জমিতে তিনটি ফলের চাষ করে সফলতা পাওয়ায় তিনি ব্যাপক আত্মবিশ্বাসী।

তবে লাভের আশায় অনেক কৃষক বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও সার ব্যবহার করলেও কৃষিবিদ শাকিল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এমন কোন কীটনাশক ব্যবহার করেনি। সেক্স ফেরোমান ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা দমন করেছে। জমির উর্বরতার জন্য ব্যবহার করছেন প্রাকৃতিক জৈব সার। ইতিমধ্যে তিনি শশা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা আয় করেছেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যে তরমুজ ও বাঙ্গী বিক্রি শুরু করবে।

কৃষিবিদ শাকিল আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের আবাদি জমির পরিমান দিন দিন কমে যাচ্ছে। আর এসব কিছু চিন্তা করেই আমি উদ্যোগ গ্রহণ করি। কিভাবে কম জমিতে বেশি ফসল উৎপাদন করা যায়। এরপর আমি আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথমে শশা চাষ করে সফল হই। পরে শশার কয়েকটি জাত নিয়ে কাজ করি এবং এলাকার আরো কৃষকদের এই শশা চাষে উদ্ধুদ্ধ করি। পরে একই জমিতে আধুনিক ভাবে শশা, তরমুজ ও বাঙ্গী চাষ শুরু করি। প্রাথমিকভাবে আমি সফল হয়েছি। আগামীতে দেশের কৃষি খাতের জন্য এবং কৃষকদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই।

এলাকাবাসী বলেন, শাকিলের এ সফলতার খবর ছড়িয়ে পরেছে সর্বত্র। তার ফল-ফসলের প্রজেক্ট দেখতে দূর-দূরাত্ব থেকে আসছেন লোকজন। কৃষিবিদ শাকিলের পরামর্শ ও সহযোগীতায় অন্য কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকরা ঝুঁকবেন বিভিন্ন ফল-ফসলের আবাদের দিকে।

শাকিলের বাবা মো. আব্দুল করিম বলেন, আমার ছেলের এ ধরনের কাজে আমি অনেক খুশি। আগামীতে তাকে আরো জমি দিবো যেন সে তার ইচ্ছামত চাষাবাদ করতে পারে। তার এই কর্মকান্ড দেখার জন্য অনেক কৃষক, বেকার যুবক ও সাধারণ মানুষরা আমার বাড়িতে আসছে। আমার ছেলে তাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে কিভাবে তারা চাষ করবে। এ দেখে আমি খুব খুশি।

দেলদুয়ার উপজেলা কৃষি অফিসার মো: শোয়ের মাহমুদ বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষিবিদ শাকিলকে সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে। আগামীতেও তাকে সার্বিকভাবে সকল ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। দেলদুয়ারে কৃষিবিদ শাকিলের মতো সকল শিক্ষিত যুবকরা শুধু চাকরীর পেছনে না ছুটে কৃষির দিকে ঝুঁকে তবে দেশের বেকারত্ব দুর হওয়ার পাশাপাশী লাভবান হবে কৃষি খাত।


এই ধরনের আরও সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
2627282930  
       
     12
10111213141516
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
       
  12345
27282930   
       
29      
       
1234567
2930     
       

বিজ্ঞাপন

error: Content is protected !!