• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]

গোপালপুরে নদী দখল বন্ধ হচ্ছে না

বিডি নিউজ বুক ডেস্ক: / ৯৪ বার পঠিত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল ::

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নদী দখল বন্ধ হচ্ছে না। জানা যায়, ঝিনাই নদীর শাখা বৈরান ধনবাড়ি, গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবাহিত হয়েছে। পাট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে বৈরান তীরে গড়ে উঠে গোপালপুর শহর। আশির দশক পর্যন্ত এ নদী ছিল যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম।

কিন্তু বর্তমানে নদীর উভয় তীর ভরাট করে গড়ে তোলা হচ্ছে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কারখানা ও বেসরকারি অফিস। জায়গাজমির দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রভাবশালীরা প্রকাশ্যে নদী ভরাট করে পজিশন বিক্রি করছেন। হাট বৈরান, কোনাবাড়ি বাজার, থানা চত্বর, নন্দনপুর, চর পাড়া ও দক্ষিণ গোপালপুর এলাকায় নদী ভরাটের প্রবণতা বেশি। নদী দখল বন্ধে পৌর প্রশাসনের কোনো ভূমিকা নেই। পৌরসভা কার্যালয়ের সামনেই মাটি ভরাট করে নদী দখল চলছে। প্রতিদিন ময়লা আবর্জনা ফেলে নদী দখল করায় পরিবেশ দূষণ ঘটছে। দূষিত হচ্ছে নদীর জল।

দখল ও ভরাটের দরুন স্রোতঃস্বিনী বৈরান এখন শীর্ণকায়া খাল। গোপালপুর শহর অংশে ভরাটের কারণে নদীর ভাটিতে বর্ষাকালে ভাঙনে বিলীন হয় আবাদি জমি। এ নদীর সঙ্গে ২০/২৫টি খাল ও বিলের সংযোগ রয়েছে। গোপালপুর শহর অংশে ভরাটের দরুন নদীর স্রোত বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ভাটির খাল ও বিলে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। ঘটে ফসলহানি। এবার জলাবদ্ধতায় সহস্রাধিক একর জমি অনাবাদি রয়ে যায়। পলশিয়া গ্রামের শফিক তালুকদার অভিযোগ করেন, গতবারের জলাবদ্ধতায় বিলের রোপা আমন ডুবে যায়। সরিষা ও কলাই চাষ করা যায়নি। বৈরান নদী দখল মুক্ত করার জন্য সম্প্রতি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) স্থানীয় প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি দেন। কিন্তু নদী দখল বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজা মোহম্মদ গোলাম মাসুম জানান, জবর-দখলকারীরা খুবই প্রভাবশালী। নানা কৌশলে বৈধ-অবৈধ কাগজপত্র তৈরি করে নদী দখলে নিয়েছেন। শুধু প্রশাসন দিয়ে নদী দখল মুক্ত করা যাবে না। সমাজের সচেতন অংশকেও এজন্য এগিয়ে আসতে হবে।


এই ধরনের আরও সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
       
  12345
27282930   
       
29      
       
1234567
2930     
       

বিজ্ঞাপন