• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]

সংসদে সরকারি-বিরোধী দল নিয়ে ধন্ধে রুমিন

বিডি নিউজ বুক ডেস্ক: / ১০৭ বার পঠিত
আপডেট : রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৯

নিউজ বুক ডেস্ক ::

জাতীয় সংসদে কোনটি সরকারি দল ও কোনটি বিরোধী দল তা নিয়ে ধন্ধে পড়েছেন বিএনপি থেকে মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও দলটির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, এমন সংসদে বসেছি যেখানে কোনটা সরকারি দল আর কোনটা বিরোধী দল কিছুই বুঝতে পারছি না।

রবিবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের জন্য বরাদ্দ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন এ কথা বলেন।

এ সময় দেশে শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভরসা নেই উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, স্বাস্থ্যখাতে কমপক্ষে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার কথা যার আশপাশেও নেই আমরা। এবার আমাদের বরাদ্দ হয়েছে দশমিক ৮৯ শতাংশ। যেটা দক্ষিণ এশিয়ায় সব থেকে কম। শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপে যথাক্রমে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশ, ২.৩, ২.৫, ২.৬ এবং ১০.৮ শতাংশ। এছাড়া স্বাস্থ্য সেবাখাতে বরাদ্দ অপ্রতুল, দেশে চিকিৎসা সেবার মান খারাপ, যার জন্য বিদেশে কোটি কোটি অর্থ ব্যয় করে চিকিৎসা করতে যাওয়ার অভিযোগ করেন বিএনপির এই এমপি।

আফগানিস্তানে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এমনকি আফগানিস্তানে বরাদ্দ ২ দশমিক ৯ শতাংশ। রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম থাকার কারণে মানুষের ব্যক্তি ব্যয়, নিজের হিস্যা অনেকখানি বেড়ে যায়। এবার চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তির নিজের পকেট থেকে খরচ ৬৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭২ শতাংশে গেছে। স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় ব্যক্তির নিজের হিস্যা ভুটানে ২০ শতাংশ, মালদ্বীপে ১৯, নেপালে ৫৫ এবং আমাদের থেকে অনেক দরিদ্র সাব সাহারান আফ্রিকা দেশে মোট স্বাস্থ্য ব্যয় ব্যক্তির গড়ে মাত্র ৩৬ শতাংশ খরচ করে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আউট অব পকেট এক্সেন্ডেচার সূত্র উল্লেখ করে এসব কথা বলেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

সংসদে বিএনপির এই নেত্রী আরও বলেন, এভাবেই দেশের প্রায় সব মানুষের স্বার্থ রক্ষা করার চাইতে স্বাস্থ্যখাতে কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রধান অংশ নিজ পকেট থেকে মিটাতে গিয়ে প্রতি বছর ৬৬ লাখ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে চলে যায়।

ছোট একটি পরিসংখ্যান দিয়ে রুমিন বলেন, বাংলাদেশে প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য চিকিৎসকের সংখ্যা দশমিক ৫ জন, যা নেপালে দশমিক ৬, ভারতে দশমিক ৮, পাকিস্তানে ১ এবং মালদ্বীপে ৩ দশমিক ৬ জন। প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য বাংলাদেশে নার্স আছে দশমিক ৩ জন, এই সংখ্যা ভুটানের মতো দেশে ১ দশমিক ৫, ভারতে ২ দশমিক ১, মালদ্বীপে ৮ মশমিক ২ এবং নেপালে ২ জন। দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্নে।

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের ভরসা নেই উল্লেখ করে বিএনপির একমাত্র নারী সংসদ সদস্য বলেন, শুধু ভারতে যেসব বাংলাদেশিরা চিকিৎসার জন্য যান, তারা প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বছরে খরচ করেন। এক সময় অনেক পিছিয়ে থাকা মালয়েশিয়ায় এখন অনেকে চিকিৎসার জন্য যান। দেশে শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরাও যখন চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় তাদেরও কোনো ভরসা নেই এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি।


এই ধরনের আরও সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
       
  12345
27282930   
       
29      
       
1234567
2930     
       

বিজ্ঞাপন