• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]

জিয়ার কবর সরাতে বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

বিডি নিউজ বুক ডেস্ক: / ৮২ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ২৯ জুন, ২০১৯

নিউজ বুক ডেস্ক ::

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরসহ জাতীয় সংসদের ‘মূল নকশার বাইরে’ যেসব স্থাপনা রয়েছে সব অপসারণ করতে বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদ চত্বরে মূল নকশার বাইরে জিয়ার কবরসহ যেসব স্থাপনা হয়েছে, এখানে আরও কিছু কবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অপসারণের অনুরোধ করছি।’

এর আগে গত নবম ও দশম জাতীয় সংসদের একাধিক বৈঠকে জাতীয় সংসদ চত্বর থেকে জিয়াউর রহমানের কবরসহ লুই আই কানের নকশা বর্হিভূত যেসব স্থাপনা রয়েছে তা সরানোর বিষয়ে কথা ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় উদ্যোগী হয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে লুই কানের মূল নকশা সংগ্রহ করা হয়। তবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নকশা আনা হলেও গত আড়াই বছরে নকশা বহির্ভূত কোনও স্থাপনা সরানোর কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি।

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শোষিতদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) গঠন করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়া ও তার তাঁবেদাররা সবাই মিলে যে বাকশালকে গালিতে পরিণত করেছিল। বস্তুত বাকশালের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে বন্ধ করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করে জাতীয় দল গঠন করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগকেও তখন স্থগিত করা হয়ছিল।

তিনি আরও বলেন, বাঙালির মুক্তি ও শোষিতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল তাছাড়া বাংলার মানুষের মুক্তি আসতে পারে না। তা বিগত দিনে প্রমাণিত হয়েছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী সেই অর্থনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের সময় দায়িত্ব পালন ও অভিজ্ঞতা ১০ থেকে ২০ মিনিট রেকর্ড করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলে আমরা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবো।’

এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০৭ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এছাড়া গত ১০ বছরে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাটাগরি অনুযায়ী অর্থাৎ বেসামরিক গেজেট, নারী মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা), মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী, চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী মেডিকেল টিম, শব্দ সৈনিক, শহীদ এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪ হাজার ১৮৮ মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটভুক্তির জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি সরকারি দলের হাবিবা রহমান খানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাইজেশন তথ্যের ডাটাবেজ সংরক্ষিত আছে। ডাটাবেজ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল-বিসিসির ডাটা সেন্টারে সংরক্ষিত আছে। ডাটাবেজে মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা, সাময়িক সনদসহ বিভিন্ন ধরনের গেজেটের ডিজিটাইজেশন করা তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এ তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য বাতায়নে প্রদর্শিত হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট বা পরিচয়পত্র প্রদানের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুকূলে ডিজিটাল সনদ প্রদান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অচিরেই সারাদেশের একদিনে একযোগে ডিজিটাল সনদ প্রদান করা হবে।

আগামীতে একই ডিজাইনে সব মুক্তিযোদ্ধাদের কবর হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই সব রাজাকার, আলবদর ও যুদ্ধাপরাধীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মোজাম্মেল হক।


এই ধরনের আরও সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

SatSunMonTueWedThuFri
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
10111213141516
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728     
       
      1
16171819202122
23242526272829
3031     
   1234
       
  12345
27282930   
       
29      
       
1234567
2930     
       

বিজ্ঞাপন