সর্বশেষ:
‘ঘরই কাল হলো লাকির’ সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বগুড়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন বীর মুক্তিযোদ্ধা কয়েস উদ্দীনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন চলে গেলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ পৌর নির্বাচনে বগুড়ায় সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে সুজনের পদযাত্রা ও মানববন্ধন সাপাহারে অবৈধভাবে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ২২ টি স’মিল মান্দায় বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরাল নির্মান কাজের উদ্বোধন সাপাহারে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন অমর একুশে স্মরণে টাঙ্গাইল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের শ্রদ্ধাঞ্জলি পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয় ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবীতে আলোচনা সভা
পুলিশের সোর্স সেজে হয়রানীর অভিযোগ

পুলিশের সোর্স সেজে হয়রানীর অভিযোগ

টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর (হামকুড়া) গ্রামে পুলিশের সোর্স সেজে মাদক দিয়ে ধরিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি উঠেছে ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর (হামকুড়া) গ্রামের মো. শাহজাহানের পুত্র শরিফ হোসেন (৩২), আলামিন (২১) ও আরিফের (৩৫) বিরুদ্ধে।

জানা যায়,গত ১ নভেম্বর রসুলপুর গ্রামের মো. আ. মালেকের পুত্র মো. সেলিম (২০) কে পার্শ্ববর্তী মধুপুর উপজেলার চাপড়ি বাজারে তার রেডিমেট কাপড়ের দোকান থেকে মাদক দিয়ে ধরিয়ে দেন শরিফ। পরে অসহায় মালেক তার পুত্র সেলিমকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে অলোকদিয়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ছাড়িয়ে আনেন।

নিরঅপরাধ মানুষকে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে কমিশন পাওয়ার বিষয়ে পুলিশের সাথে শরিফের ফোন আলাপ ভাইরাল হয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে গত ১৯ নভেম্বর হামরুড়ার শফিমন্ডলের বাহির বাড়িতে এক গ্রাম্য শালিসে বসে ফোন আলাম পর্যালোচনা করে এবং স্বাক্ষীদের বক্তব্য শোনে শরিফের বিরুদ্ধে লিখিত শালিসনামা দেন রসুলপুর ইউ.পি চেয়ারম্যান মো.এমদাদুল হক সরকার।

শালিসনামায় বলা হয়, শরিফ, আলামিন ও আরিফ বিভিন্ন সময় গ্রামের নিরীহ নিরঅপরাধ মানুষকে মাসক সেবন ও বিক্রির মিথ্যা বানোয়াট ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে হয়রানি ও ক্ষতি করে আসছে।

মো. আ. মালেক জানান, আমার ছেলে সেলিম একেবারে সহজ-সরল একটি ব্যক্তি । সে মধুপুরের চাপড়ি বাজারে রেডিমেট কাপড়ের ব্যবসা করেন। চাপড়ি হাটেরদিন দোকানের পিছনে রাখা অটোভ্যান গাড়ীর সুােির মধ্যে ইয়াবা দিয়ে শরিফ পুলিশকে ফোন দেন। মধুপুর থানার এসআই রেজাউল করিম, এএসআই আ.আলিম ও এএসআই সুজন মিয়া এসে সেলিমকে দোকান থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরেরদিন ২০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়া হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) মো.কামরান হোসেন বলেন, পুলিশের যোগসাজশে যদি কোন সোর্স মাদক দিয়ে কোন নিরঅপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসায় তবে তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই পোর্টালের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!