সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশেও করোনা প্রবেশ করেছে – মতিয়া চৌধুরী

সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশেও করোনা প্রবেশ করেছে – মতিয়া চৌধুরী

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

২০১৬ সালে করোনা আবিস্কৃত হয়। তিন বছর এটি ল্যাবরেটরীতে ছিল। যদি এই তিন বছর কাজ করা হতো তাহলে আরো আগে আমরা প্রতিরোধ করতে পারতাম। করোনা থেকে মুক্ত হতে পারতাম। সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশেও করোনা প্রবেশ করেছে। করোনা বাংলাদেশি কোনো সমস্যা নয়। সারা পৃথিবী জুড়ে এটির তান্ডব চলছে। এটি একটি বৈশি^ক সমস্যা।

সোমবার (১৮ মে) সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি দুঃস্থদের মাঝে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ঈদ উপহার হিসেবে নগদ অর্থ বিতরণকালে তাঁর নির্বাচনী এলাকা শেরপুরের নালিতাবাড়ী যোগানিয়া ইউনিয়নের কাপাসিয়া শহিদ স্মৃতি নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, করোনার ওষুধও আবিষ্কার হবে। প্রতিষেধকও আবিষ্কার হবে এবং প্রতিরোধকও আবিষ্কার হবে। তবে এটির কারণে কিছু মানুষের জীবন যাবে। এটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবা নিশি অরাত্রি ভাবছেন। মা যেমন অসুস্থ সন্তানকে কোলে নিয়ে রাত্রি কাটায়। একদিকে বাতি জ¦লতেছে আরেকদিকে মা অসুস্থ সন্তানের দিকে এক ধেনে তাকিয়ে আছে। তেমনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই ভাবে সারা দেশটার দিকে তিনি লক্ষ্য রেখেছেন। এমন একটা জায়গা নেই যে তিনি দৃষ্টি দেননি।

করোনা প্রতিরোধে যারা কাজ করছেন তাদের প্রতিও তিনি সু-দৃষ্টি রাখছেন। একই সঙ্গে নিউজ কভারেজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরাও প্রাণ দিচ্ছেন। পুলিশ প্রাণ দিচ্ছেন সব শ্রেণি পেশা যারা এর সাথে জড়িত এবং আন্তরিকভাবে উদ্যোম নিয়ে কাজ করছেন তােেদর মধ্যে যাদের প্রাণহানি ঘটছে সকলের প্রতি মতিয়া চৌধুরী শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন,চাকরির সন্ধানে কাজের সন্ধানে আমাদের দেশের মানুষ বিদেশ গিয়েছে। ইটালিতে প্রচুর বাঙালী আছে। তাদের মাধ্যমে আমাদের দেশে করোনা আসছে। তারা না হলেও অন্যজনের মাধ্যমে আসতো। ইটালি আজ লকডাউন ওঠিয়ে দিয়েছে। বৃটেনে আংশিকভাবে ওঠিয়ে দিয়েছে, ফ্রান্সেও তাই। পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। যাতে প্রতিশেধক প্রতিরোধক বের হতো। কিন্তু তিনটা বছর কাজ হয়নি মাঝখানে গেইপ ছিল। এখন চারদিকে সারাসি আক্রমণের মাধ্যমে আমাদের যে গেইপটা তা কভারেজের জন্য এবং বৈশিকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে।

মতিয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, লকডাউন শব্দটির সঙ্গে সাংবাদিকরা সারা বাংলাদেশের মানুষকে পরিচিত করেছেন। শুধু তা পরিচিতিই পাইনি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মিডিয়ায় প্রচার করে তারা সচেতনতা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দ্বিতীয় দফায় নালিতাবাড়ী উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৭৬০ জন দুঃস্থের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ দুইশ করে মোট ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা বিতরণ করেন। প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় মতিয়া চৌধুরী তার নির্বাচনী এলাকা নকলা এবং নালিতাবাড়ীতে ৩৬৮০ জন দুস্থদের মাঝে মোট ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ঈদ উপহার হিসেবে বিতরণ করেন।

সোমবার (১৮ মে) ঈদ উপহার হিসেবে নগদ অর্থ বিতরণকালে বেগম মতিয়া চৌধুরীর সাথে ছিলেন- নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমেদ বাদল, সাবেক মেয়র আলহাজ আব্দুল হালিম উকিল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি ডা: দলিল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওয়াজকুরুনি, সাংগঠনিক সম্পাদক-আব্দুল লতিফ,ফারুক আহমেদ বকুল, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সরকার, সাংস্কৃতি সম্পাদক সারোয়ার জাহান আপন, যুবলীগ আহবায়ক আলহাজ জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই পোর্টালের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!