সর্বশেষ:
‘ঘরই কাল হলো লাকির’ সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে বগুড়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন বীর মুক্তিযোদ্ধা কয়েস উদ্দীনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন চলে গেলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ পৌর নির্বাচনে বগুড়ায় সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে সুজনের পদযাত্রা ও মানববন্ধন সাপাহারে অবৈধভাবে লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ২২ টি স’মিল মান্দায় বঙ্গবন্ধু’র ম্যুরাল নির্মান কাজের উদ্বোধন সাপাহারে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন অমর একুশে স্মরণে টাঙ্গাইল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের শ্রদ্ধাঞ্জলি পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয় ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার দাবীতে আলোচনা সভা
জমে উঠেছে টাঙ্গাইলে নৌকার হাট

জমে উঠেছে টাঙ্গাইলে নৌকার হাট

:: টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ::

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় জমে উঠেছে নৌকা বিক্রির হাট। সামাজিক দূরত্ববজায় রেখে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সরগম এখন উপজেলার গয়হাটায় নৌকার হাট। সপ্তাহের প্রতি শনিবারে গয়হাটার উদয় তারা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কেনা-বেচা হয় বিভিন্ন প্রকারের বাহারি নৌকা।এবার নৌকার চাহিদাও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে।
জানা যায়, আশির দশকের প্রথমদিকে এ বাজারে নৌকা বিক্রির হাট শুরু হয়। সহস্রাধিক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নৌকা-বৈঠা তৈরি ও বিক্রি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। বর্ষায় নদীমাতৃক এ অঞ্চলের কৃষিজীবী মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম হচ্ছে নৌকা। আষাঢ় মাস থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত বসে এ নৌকার হাট। গয়হাটা বাজারে ও খালের পাড়ে রাস্তার ওপরে দুপাশজুড়ে বিভিন্ন সাইজের নৌকার বেচাকেনা চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

আরও পড়ুন : অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন অক্টোবরেই

নৌকা হাটে গয়হাটা এলাকার নৌকা তৈরির কারিগর বিষ্ণু সূত্রধর বলেন, বাপ-দাদার এ পেশা তিনি ১০ বছর যাবৎ টিকিয়ে রেখে রেইনট্রি, মেহগিনি, কড়ই, আমড়া, চাম্বল প্রভৃতি গাছের কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করে আসছেন। একটি নৌকা তৈরি করতে দুজন শ্রমিকের সময় লাগে তিন দিন আর প্রকারভেদে খরচ হয় তিন হাজার থেকে সাত হাজার টাকা। অপরদিকে এগুলো বিক্রি যায় ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকায়।

তিরছা এলাকার নৌকা বিক্রেতা অনিল সরকার জানান, পাইকাররা এখান থেকে নৌকা কিনে অন্য জেলায় নিয়ে বিক্রি করেন। বিশেষ করে মানিকগঞ্জের ঘিওর এলাকার পাইকার বেশী আসে এখানে। শ্রমিকদের মজুরি ও কাঠের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের চেয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে ফলে লাভ কম হয় অপর দিকে বর্ষায় এবার নৌকার চাহিদা বেশি বলে বেচাকিনি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, ৩০টি নৌকা বাজারে এনেছেন ১৫টির মত বিক্রিও হয়েছে আরো বিক্রি হবে বলেও আশা করছেন। প্রতিবছর তিনি প্রায় তিন হাজার থেকে সারে তিন হাজার নৌকা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকেন। একাধিক নৌকা বিক্রেতারা জানান, এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা বর্ষা ও পানির এ মৌসুমে ধান, বিলের শাপলা, শাক সবজি, নার্সারি ব্যবসা, পেয়ারা, আমড়া, পানি কচু, লেবু, কলা প্রভৃতি কাঁচামাল ও ফসলের বেচাকেনা হয় নৌকায় করেই। আর এ কারণেই এ সময় নৌকার কদর বেড়ে যায়। প্রতি হাটে দেড়’শ থেকে দুই’শ নৌকা বিক্রি হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

আরও পড়ুন : করোনা ভাইরাস সংক্রমণ : সামনে বড় চ্যালেঞ্জ এখন কোরবানির পশুর হাট

ইজারাদার জয়নাল আবেদীন বিদ্যুৎ জানান, বিগত বছর যাবৎ স্বাভাবিক ভাবেই নৌকা প্রতি ১০০ থেকে দেড়’শ টাকা করে তোলা হচ্ছে খাজনা এবারও একই ভাবে তোলা হচ্ছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তাসহ সকল প্রকার অনিয়ম ও চাঁদাবাজী ঠেকাতে ইজারাদারের ৭-৮জন সদস্য সচেষ্ট ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যদি কেউ বাজারের ভাবমূর্তি নষ্ট করারপ্রয়াসে অনিয়ম করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই পোর্টালের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!