সর্বশেষ:
শাহজাদপুরের ৫নং গালা ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি নাজমুল হক পাকিস্তানের দোসর-তাঁবেদাররা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণহত্যার স্মৃতি মুছে ফেলতে তৎপর রয়েছে : কৃষিমন্ত্রী ‘ঝাল মুড়ি বিক্রি করে জীবন চলে মর্জিনা বেগমের’ উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণে মহাদেবপুর থানা পুলিশের আনন্দ উদযাপন মহাদেবপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাংলাদেশের ঝুঁড়ি এখন খাদ্যে পরিপূর্ণ :কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে পৃথিবীতে মর্যাদার আসনে উন্নীত করেছেন : কৃষিমন্ত্রী বারহাট্টায় আগুনে নিঃস্ব পরিবার মহাদেবপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মাঝে উন্নত জাতের বকনা গরু বিতরণ
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত জেনারেল সি আর দত্ত আর নেই

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত জেনারেল সি আর দত্ত আর নেই

চিত্ত রঞ্জন দত্ত বীর উত্তম

:: অনলাইন ডেস্ক ::

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত মারা গেছেন।
তিনি সি আর দত্ত নামে বেশি পরিচিত ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক দীপঙ্কর ঘোষ। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন সি আর দত্ত। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

এর আগে ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল যে গত ২০শে অগাস্ট ফ্লোরিডার বাসভবনের বাথরুমে হঠাৎ পড়ে যান সি আর দত্ত। এই সময় তার পা ভেঙ্গে যায়। এরপর জেনারেল দত্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে।
ভারতের শিলংয়ে জন্ম হলেও সি আর দত্তের পৈতৃক বাড়ি ছিল হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায়। ১৯৫১ সালে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেট অঞ্চল নিয়ে যে ৪ নম্বর সেক্টর গঠন করা হয়, সেই সেক্টরের কমান্ডার হিসাবে নিযুক্ত হন সি আর দত্ত। যুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাব পান।
স্বাধীনতার পরে তিনি প্রথমে সেনাবাহিনীর রংপুরে ব্রিগেড কমান্ডার হিসাবে নিযুক্ত হন। পরে তাকে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয়। বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) গঠনের পর তিনি ছিলেন বাহিনীর প্রথম মহাপরিচালক।

১৯৮৪ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করার পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© এই পোর্টালের কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!